বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মরহুম সাদেক হোসেন খোকা ছিলেন রাজপথের একজন খাঁটি যোদ্ধা। তিনি কম হাসতেন, কিন্তু তার কথাবার্তা ও আন্তরিকতা মানুষকে সহজেই কাছে টেনে নিত।
তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল ও বড় মনের মানুষ ছিলেন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গোপীবাগে সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি। খোকার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
শৈশব ও রাজপথের দিনগুলোর স্মৃতিচারণা করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমরা পাশাপাশি এলাকার বাসিন্দা ছিলাম।
আমি শাহজাহানপুরের, আর খোকা গোপীবাগের। কখন যে একে অপরের সঙ্গী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা হয়ে গেলাম, বুঝতেই পারিনি। মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা—সবখানেই আমরা একসঙ্গে ছিলাম। হাতে হাত রেখে এতগুলো বছর কিভাবে পার হয়ে গেল, আর আমাদের বয়স কিভাবে বেড়ে গেল তা আজ ভাবতে কষ্ট হয়।
খোকা এবং আমার জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে যদি লিখতে বসি, তবে আস্ত একটি বই হয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে আমাদের মতপার্থক্য কিংবা ঝগড়াও হতো, কিন্তু দিনশেষে আমরা বিএনপির আদর্শ ও মানুষের জন্য একসঙ্গে কাজ করেছি। রাজনীতির নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আমরা গিয়েছি। আজ সে আমাদের মাঝে নেই, সে থাকলে হয়তো বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আরো অনেক ভালো কিছু হতে পারত।’
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ও সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন প্রমুখ।
মন্তব্য করুন