নেত্রকোনা সদর থানায় দায়ের হওয়া এক তরুণী ধর্ষণ মামলার প্রধান পলাতক আসামি মো. রিপন মিয়া (৩৩)-কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৪, সদর কোম্পানি, ময়মনসিংহ।
র্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এক অভিযানে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানার মহিষারন এলাকার অচিন্তপুর থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী (১৫) ও গ্রেপ্তার হওয়া রিপন মিয়া একই এলাকার বাসিন্দা এবং প্রতিবেশী। অভিযুক্ত একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হওয়ায় তিনি ভুক্তভোগীকে দিয়ে অভিভাবকের অগোচরে বিভিন্ন সময় কনটেন্ট তৈরি করতেন এবং সেগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন ধরনের কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে জরুরি কথা আছে বলে অভিযুক্ত ভুক্তভোগীকে মগড়া নদীর উত্তর পাড়ে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে ভুক্তভোগীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পিতা বাদী হয়ে নেত্রকোনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মামলা নং-১২ হিসেবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২০)-এর ৯(১)/৩০ ধারায় রুজু করা হয়।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকেই র্যাব-১৪-এর একটি গোয়েন্দা দল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬ আগস্ট রাত ১২টা টার দিকে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানার মহিষারন এলাকার অচিন্তপুরে অভিযান চালিয়ে পলাতক প্রধান আসামি মো. রিপন মিয়া (৩৩),কে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
|
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬