শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড় এলাকায় হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনে হাতি অধ্যুষিত এলাকা চিহ্নিত করে অভয়ারণ্য ঘোষণার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের (ইআরটি) কার্যপরিধি প্রণয়ন এবং আধুনিক কলাকৌশলসম্বলিত সার্বজনীন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) তৈরির লক্ষ্যে পৃথক দুটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার গারো পাহাড়সংলগ্ন মধুটিলা ইকোপার্ক ও ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এসব সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ময়মনসিংহ বন বিভাগ এ সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন শেরপুর জেলার নকলা-নালিতাবাড়ী আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী ও শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।
স্বাগত বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নুরুল করিম। বিষয়ভিত্তিক মূল আলোচনা উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. মনিরুল এইচ খান এবং আরণ্যক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোতালেব।
এ সময় বক্তব্য দেন বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. ছানাউল্যা পাটওয়ারী, কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক এ.এস.এম. জহির উদ্দিন আকন, পুলিশ সুপার এ. কে. এম. জহিরুল ইসলাম, ঝিনাইগাতী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহজাহান আকন্দ, ইউনুছ আলী দেওয়ান, মিজানুর রহমান, মো. শাহীন আলমসহ স্থানীয় এলাকার ভুক্তভোগী, ইআরটি সদস্য ও পরিবেশকর্মীরা।
সেমিনার দুটি সঞ্চালনা করেন তাওয়াকোচা বিটের বিট কর্মকর্তা ফাহিম মুনতাসির।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সংসদ সদস্যরা সরকারের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে উদ্যোগটি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ স্থানীয় সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বন বিভাগকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তারা।
মন্তব্য করুন