১৩ সেপ্টেম্বর ‘ভালোবাসার কাছে হার মানল দারিদ্রতা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর তোলপাড় শুরু হয় জেলার সর্বত্র এবং ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে। নানা ধরনের মন্তব্য এবং ওই হতদরিদ্র বৃদ্ধ দম্পতির সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন দেশ-বিদেশ থেকে অনেকে।
এছাড়াও স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং ব্যক্তিরা অনেকেই সরাসরি ওই বৃদ্ধ দম্পতির বাড়িতে গিয়ে সাহায্য সহযোগিতা করে আসছেন।
এদিকে ১৩ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে শেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হযরত আলী বৃদ্ধ দম্পতির বাড়িতে গিয়ে ২০ হাজার টাকা নগদ অর্থসহায়তা এবং তিন মাসের খাবার দিয়ে আসেন। একই সঙ্গে ওই পরিবারের পুরো দায়িত্ব নেন তিনি। তিনি এ সময় তার বাড়ি থেকে রান্না করা খাবার নিয়ে গিয়ে নিজ হাতে বৃদ্ধ দম্পতিকে খাইয়ে দেন। এ সময় বিএনপির বিভিন্ন নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে যুগান্তরের খবর ভাইরাল হলে তৎপর হয়ে ওঠে শেরপুরে জেলা প্রশাসন। ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে ওই বৃদ্ধ দম্পতির বাড়িতে ছুটে যান শেরপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা ইয়াসমিন। এ সময় তিনি বৃদ্ধ দম্পতির স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং প্রতি মাসে খাবার দেওয়া, ঘর সংস্কার ও চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে শহরের হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। সেখানে তাদের ভর্তি করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন।
জেলা প্রশাসকের সঙ্গে এ সময় জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কামরুজ্জামান খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক, যুগান্তর প্রতিনিধি ও শেরপুর প্রেস ক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন