নিখোঁজের ১১ দিন পর ময়মনসিংহ সদর উপজেলার কুষ্টিয়া এলাকার ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মিরান (২০) নামে এক নির্মাণশ্রমিকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মিরান জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার চর পাকেরদহ গ্রামের মিন্টু মিয়ার ছেলে। পুলিশের ধারণা, নিজ এলাকায় তাকে হত্যার পর মরদেহ নদে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার রাতে সদর ইউনিয়নের কুষ্টিয়া নামাপাড়া এলাকার বিদ্যাগঞ্জ খেয়াঘাটের কাছে নদীতে একটি হাত-পা বাঁধা মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা কোতোয়ালি মডেল থানায় খবর দেন। শুক্রবার ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
উদ্ধারের পর নিহতের পকেটে থাকা একটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) উদ্ধার করা হয়। এনআইডির সূত্র ধরে খবর দেওয়া হলে স্বজনরা এসে শনাক্ত করেন মরদেহটি নিখোঁজ মিরানেরই।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুলাই পরিবারের সাথে অভিমান করে ঘর ছাড়েন মিরান। ২৭ জুলাই স্ত্রীর সাথে মোবাইলে তার শেষ কথা হয়। এরপর থেকেই তার ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। এর আগেও একাধিকবার অভিমান করে নিখোঁজ হওয়ার পর নিজে নিজেই ফিরে আসায় এবার আর পুলিশে কোনো জিডি করা হয়নি।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জামালপুরেই তাকে হত্যা করে মরদেহ নদে ফেলে দেওয়া হয়। পরে স্রোতে তা ভেসে ময়মনসিংহে চলে আসে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন