নিহত শিশুর নাম রাজন মিয়া (৭)। সে ওই গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। অভিযুক্ত কিশোর তহসিন হৃদয় (১৪) একই এলাকার আবু বক্কর ছিদ্দিকের ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে জলপাই কুড়িয়ে আনার কথা বলে রাজনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় তহসিন। পরে তাকে নিজের ঘরে নিয়ে বলাৎকারের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় শিশুটি চিৎকার করলে তার মুখ চেপে ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শিশুটির মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পরে শিশুটির মরদেহ বাড়ির পাশের জঙ্গলের ভেতরে বাথরুমের কাছে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিবারের লোকজন রাজনের খোঁজাখুঁজি শুরু করলে চাপের মুখে তহসিন মরদেহের অবস্থান জানায়। পরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
অভিযুক্তের মা মিনা আক্তার বলেন, আমি আশ্রয়ণ প্রকল্পে মায়ের বাড়িতে গিয়েছিলাম। খবর পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি এমন ঘটনা ঘটেছে। এখন পুলিশ আমাকে ও আমার ছেলেকে থানায় নিয়ে এসেছে।
থানায় অবস্থানকালে অভিযুক্ত কিশোর তহসিন হৃদয় বলেন, এটা আমার জীবনের ভুল, চিৎকার দিছিল দেখে পরে মেরে ফেলছি।
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং অভিযুক্তকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
মন্তব্য করুন