অভিযোগের পর স্থানীয়ভাবে সালিশ বসিয়ে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়ানো হয়। পরে সালিশের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ তাকে আটক করে।
উপজেলার জাফরাবাদ ইউনিয়নের বাগপাড়া গ্রামে সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সজল ওই কিশোরীকে গ্রামের একটি জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এক স্বজন ঘটনাটি দেখে ফেললে চিৎকারে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে সজলকে আটক করেন।
শনিবার রাতে সালিশের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জুনায়েদ তুর্য বলেন, তিনি সালিশে উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি জানার পর তিনি এলাকাবাসীকে নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেছেন। তবে এভাবে সালিশ করার বিষয়টি তার ভালো লাগেনি বলেও জানান তিনি।
করিমগঞ্জ থানার ওসি মো. সোহেব খান বলেন, শনিবার রাতে সজলকে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
স্থানীয়দের দাবি, ধর্ষণচেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগ স্থানীয় সালিশে মীমাংসার পরিবর্তে আইন অনুযায়ী তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
মন্তব্য করুন