নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর বিয়ের আয়োজন করেছিল পরিবার। বরের বাড়ির লোকজন আসার আগেই খবর পেয়ে কনের বাড়িতে হাজির হন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পরে কিশোরীর বয়স যাচাই করে বাল্যবিয়ের সত্যতা পাওয়ায় বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কনের বাবা আবদুল জলিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার চণ্ডিগড় ইউনিয়নের কেরনখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কনের বাড়িতে বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছিল। আত্মীয়স্বজন ও অতিথিদের দাওয়াত দিয়ে খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়। শুধু বরের আসার অপেক্ষা ছিল। এরই মধ্যে বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান।
পরে কিশোরীর বয়স যাচাই করে বাল্যবিয়ের সত্যতা পান তিনি। এরপর বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কিশোরী প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে তাকে বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে কনের বাবা আবদুল জলিলের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। এঘটনায় তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাল্যবিয়ের বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে মেয়েটিকে বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে আইনানুগ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, কোথাও বাল্যবিয়ের আয়োজন করা হলে তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানোর জন্য সবাইকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন