শেরপুর জেলা শহরে যানজট যেন প্রতিদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে। শহরের প্রধান সড়ক থেকে গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে দিনের বিভিন্ন সময়ে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। এতে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও নিম্নআয়ের শ্রমজীবীরা যানজটে বেশি সমস্যায় পড়ছেন। প্রতিদিন গন্তব্যে পৌঁছাতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি সময় লাগছে। দীর্ঘ সময় সড়কে আটকে থাকায় নষ্ট হচ্ছে কর্মঘণ্টা। পাশাপাশি যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খল চলাচলে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, যানজটের অন্যতম কারণ সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকের অব্যবস্থাপনা। সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সড়কের ওপর দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো হচ্ছে। যাত্রী পাওয়ার আশায় অনেক চালক প্রতিযোগিতামূলকভাবে চলাচল করায় যানজট আরও বাড়ছে।
এ ছাড়া অদক্ষ চালকদের অনিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালানো এবং যেখানে-সেখানে যানবাহন থামিয়ে রাখার প্রবণতাও সড়কে শৃঙ্খলা নষ্ট করছে।
শহরের কলেজমোড়, খরমপুর মোড়, নিউমার্কেট, থানামোড়, গোয়ালপট্টি মোড়, হাসপাতাল রোড এবং খোয়ারপাড়-শাপলা চত্বর এলাকায় যত্রতত্র যানবাহন রাখায় যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব এলাকায় ইজিবাইক থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানোর কারণেও তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট।
ব্যস্ত এসব সড়কে দিনের বিভিন্ন সময়ে যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় পথচারী, যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তি বাড়ছে।
ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শহরের সড়কে যানবাহনের চাপ কমিয়ে চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ভোর ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বড় ও মাঝারি আকারের যানবাহন শহরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পাশাপাশি যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত অবৈধ ইজিবাইক ও অটোরিকশার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন