ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়া এলাকায় মো. আসাদুজ্জামান নূর সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মো. অন্তর (২০) নামে এক তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রবিবার দুপুরে নগরীর ফিরোজ জাহাঙ্গীর চত্বরে স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন।
জনসংখ্যাতথ্য
নিহত সাদ্দাম হোসেন নগরীর আকুয়া ভাঙ্গাপুল এলাকার বাসিন্দা। তিনি ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। আটক অন্তর কোতোয়ালী মডেল থানার আকুয়া উত্তরপাড়া এলাকার মো. বিল্লালের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে এলাকার এক তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে অন্তরের বিরুদ্ধে। ওই সময় তরুণীর চিৎকার শুনে সাদ্দাম, সুমন, পান্থসহ স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ঘটনাস্থলে যান। তাঁদের দাবি, এ সময় অন্তরকে আটক করে মারধর করা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তরুণীর পরিবার বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী না হওয়ায় স্থানীয়ভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে সাদ্দামসহ কয়েকজন যুবক অন্তর ও তাঁর বাবাকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ওই ঘটনার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। এর ধারাবাহিকতায় সাদ্দামকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁরা সন্দেহ করছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ঘটনার আগের রাতে অন্তরের বাবা বিল্লাল, রাপেল, রাপেলের বোন লিপি, রাব্বি ও পলাশের সম্পৃক্ততায় পান্থ নামের এক যুবককে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, অন্তরসহ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র সংগ্রহ করে অন্তরের বাসায় অবস্থান নেন বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।
পরদিন সকালে পান্থকে ফোন করে ডেকে আনার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। পরে অন্তরের ভাবির মাধ্যমে জরুরি প্রয়োজনে কথা বলার কথা জানিয়ে সাদ্দামকে ডেকে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সাদ্দাম সেখানে পৌঁছালে তাঁর ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে তাঁর মৃত্যু হয়।
তবে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা, ঘটনার পেছনের কারণ এবং এতে অন্য ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
নিহত সাদ্দাম হোসেন নগরীর আকুয়া ভাঙ্গাপুল এলাকার বাসিন্দা। তিনি ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। আটক অন্তর কোতোয়ালী মডেল থানার আকুয়া উত্তরপাড়া এলাকার মো. বিল্লালের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে এলাকার এক তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে অন্তরের বিরুদ্ধে। ওই সময় তরুণীর চিৎকার শুনে সাদ্দাম, সুমন, পান্থসহ স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ঘটনাস্থলে যান। তাঁদের দাবি, এ সময় অন্তরকে আটক করে মারধর করা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তরুণীর পরিবার বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী না হওয়ায় স্থানীয়ভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে সাদ্দামসহ কয়েকজন যুবক অন্তর ও তাঁর বাবাকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ওই ঘটনার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। এর ধারাবাহিকতায় সাদ্দামকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁরা সন্দেহ করছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ঘটনার আগের রাতে অন্তরের বাবা বিল্লাল, রাপেল, রাপেলের বোন লিপি, রাব্বি ও পলাশের সম্পৃক্ততায় পান্থ নামের এক যুবককে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, অন্তরসহ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র সংগ্রহ করে অন্তরের বাসায় অবস্থান নেন বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।
পরদিন সকালে পান্থকে ফোন করে ডেকে আনার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। পরে অন্তরের ভাবির মাধ্যমে জরুরি প্রয়োজনে কথা বলার কথা জানিয়ে সাদ্দামকে ডেকে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সাদ্দাম সেখানে পৌঁছালে তাঁর ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে তাঁর মৃত্যু হয়।
তবে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা, ঘটনার পেছনের কারণ এবং এতে অন্য ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার পর অন্তরকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলামের নেতৃত্বে ৩ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে হেফাজতে নেন। পুলিশ নিহত সাদ্দামের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
সাদ্দাম হোসেনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আকুয়া এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এক তরুণীকে সম্ভাব্য নির্যাতন থেকে রক্ষা করার ঘটনায় সাদ্দামের ভূমিকার কারণে তাঁকে হত্যার শিকার হতে হয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন। তাঁদের দাবি, এ ঘটনার পেছনে পরিকল্পনাকারী হিসেবে যাঁদের নাম এসেছে, তাঁদেরসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
বক্তারা বিল্লাল, রাপেল, লিপি, রাব্বি ও পলাশসহ অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, এ ঘটনায় অন্তরকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।
মন্তব্য করুন