ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে হাজিরা খাতায় অনুপস্থিতি লিপিবদ্ধ করাকে কেন্দ্র করে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে মারধর ও শ্বাসরোধের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একই চত্বরে অবস্থিত একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহ আনিছুল হক, তাঁর স্ত্রী ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নাসরিন সুলতানা এবং কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ১২ নম্বর পস্থাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এ বি এম সালাহ উদ্দিন গত বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর সহকারী শিক্ষিকা নাসরিন সুলতানা বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকায় প্রধান শিক্ষক হাজিরা খাতায় বিষয়টি লিপিবদ্ধ করেন। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে নাসরিন সুলতানা তাঁর স্বামী শাহ আনিছুল হককে বিষয়টি জানান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরদিন ৮ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে আনিছুল হক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে হাজিরা খাতায় লিপিবদ্ধ অনুপস্থিতির তথ্য পরিবর্তন করে উপস্থিতি লেখার জন্য প্রধান শিক্ষককে চাপ দেওয়া হয়। এতে তিনি রাজি না হওয়ায় তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় নাসরিন সুলতানা শিক্ষার্থীদের উসকানি দেন এবং তাঁর স্বামী প্রধান শিক্ষকের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষকের চশমা ভেঙে যায়। পরে অন্য শিক্ষকরা এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মর্তুজা বেগম বলেন, নিজ কক্ষে প্রধান শিক্ষককে এভাবে মারধর করতে দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক এ বি এম সালাহ উদ্দিন জানান, সরকারি নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি এ ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। ঘটনার পর থেকে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানান।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক শাহ আনিছুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে গনমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি অনাকাঙ্খিত ছিল। এ জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। এলাকার লোকজনের সামনে দুঃখ প্রকাশ করেছি, আশা করি দ্রুত মীমাংসা হবে।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম গনমাধ্যমকে বলেন, আমি বিষয়টি এখনো জানি না। খোঁজ নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে হাজিরা খাতায় অনুপস্থিতি লিপিবদ্ধ করাকে কেন্দ্র করে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে মারধর ও শ্বাসরোধের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একই চত্বরে অবস্থিত একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহ আনিছুল হক, তাঁর স্ত্রী ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নাসরিন সুলতানা এবং কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ১২ নম্বর পস্থাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এ বি এম সালাহ উদ্দিন গত বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর সহকারী শিক্ষিকা নাসরিন সুলতানা বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকায় প্রধান শিক্ষক হাজিরা খাতায় বিষয়টি লিপিবদ্ধ করেন। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে নাসরিন সুলতানা তাঁর স্বামী শাহ আনিছুল হককে বিষয়টি জানান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরদিন ৮ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে আনিছুল হক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে হাজিরা খাতায় লিপিবদ্ধ অনুপস্থিতির তথ্য পরিবর্তন করে উপস্থিতি লেখার জন্য প্রধান শিক্ষককে চাপ দেওয়া হয়। এতে তিনি রাজি না হওয়ায় তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় নাসরিন সুলতানা শিক্ষার্থীদের উসকানি দেন এবং তাঁর স্বামী প্রধান শিক্ষকের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষকের চশমা ভেঙে যায়। পরে অন্য শিক্ষকরা এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মর্তুজা বেগম বলেন, নিজ কক্ষে প্রধান শিক্ষককে এভাবে মারধর করতে দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক এ বি এম সালাহ উদ্দিন জানান, সরকারি নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি এ ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। ঘটনার পর থেকে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানান।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক শাহ আনিছুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে গনমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি অনাকাঙ্খিত ছিল। এ জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। এলাকার লোকজনের সামনে দুঃখ প্রকাশ করেছি, আশা করি দ্রুত মীমাংসা হবে।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম গনমাধ্যমকে বলেন, আমি বিষয়টি এখনো জানি না। খোঁজ নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন