ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার বাহিরশিমুল উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি মো. আক্তার হোসেন তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ তুলেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে হালুয়াঘাট থানা রোডের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন এবং নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে আক্তার হোসেন নিজেকে বাহিরশিমুল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী উল্লেখ করে বলেন, ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁর আবেগ ও ভালোবাসার সম্পর্ক রয়েছে। সেই আগ্রহ থেকেই তিনি বিদ্যালয়ের পরিচালনা কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনে আগ্রহী হন।
তিনি জানান, ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের হালুয়াঘাট উপজেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের তথ্য ও যোগাযোগবিষয়ক দায়িত্বে রয়েছেন।
আক্তার হোসেনের দাবি, বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেন। কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর তাঁকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করে বলে তিনি জানান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৪ অক্টোবর বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আক্তার হোসেন আরও অভিযোগ করেন, একই দিন সিরাজুল ইসলাম শাহীন তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন। এতে তাঁর সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এসব বক্তব্যকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও উল্লেখ করেন আক্তার হোসেন।
নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে এবং সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করছেন। এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান তিনি।
মন্তব্য করুন