কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ভাবিকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আজহারুল ইসলাম মিলন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মারা গেছেন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ২০ মিনিটে অসুস্থ অবস্থায় কয়েকজন কারারক্ষী তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের জন্য আজহারুলের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
আজহারুল ইসলাম পাকুন্দিয়া উপজেলা সদরের মধ্যপাড়া এলাকার সায়েম উদ্দিনের ছেলে।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৫ জুন সকালে পারিবারিক কলহের জেরে বড়ভাই বাবুলের স্ত্রী তাসলিমা আক্তারকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন আজহারুল। পরে গুরুতর আহত তাসলিমাকে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিন বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার দিন দুপুরেই আজহারুল পাকুন্দিয়া থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। পরদিন নিহত তাসলিমার ভাই শাহাবুদ্দিন বাদী হয়ে আজহারুলকে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পাকুন্দিয়া থানার উপপরিদর্শক শেখ জিয়াউল রাব্বী। দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ১০ জুন কিশোরগঞ্জের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
তবে সেই সাজা কার্যকর হওয়ার আগেই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে মারা গেলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন