
নিজস্ব সংবাদদাতা :ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের উদ্যোগে এবং সিরাক-বাংলাদেশের সহযোগিতায় এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগর যুব কাউন্সিল গঠনের পর থেকে যুব কাউন্সিলররা নগর উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছেন।
যুব কাউন্সিলের উদ্যোগে ইতোমধ্যে যানজট নিরসনে ক্যাম্পেইন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সচেতনতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কার্যক্রম, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, সামাজিক সমস্যা নিরসনে আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নাগরিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং সমাধানে প্রস্তাবনা প্রদানেও তারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। এসব কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিতভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে সভায় একটি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. রোকনুজ্জামান রোকন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাক-বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম সৈকত, সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (চ.দা.) (সিভিল) মো. জহুরুল হক এবং জুনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার (অ.দা.) মুহা. আমিনুল ইসলাম। সভা সঞ্চালনা করেন সিরাক-বাংলাদেশের উপপরিচালক মো. সেলিম মিয়া।
সিরাক-বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম সৈকত বলেন, যুব কাউন্সিলের মাধ্যমে তরুণদের কণ্ঠস্বর নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। এটি একটি ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নগরীর সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন যুব সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে।
সভায় ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের কাউন্সিল সেক্রেটারি মো. রবিন মিয়া, যুব কাউন্সিলর মো. সজিব হাসান সানি, মো. রিয়াদ, শাহিনা আক্তার, তাকিয়া আক্তার, আফসানা আক্তার মিলা, অনিরুদ্ধ ইসলাম ঈশান, সালাউদ্দিন সাদী এবং জান্নাতুল ফেরদৌস মিম উপস্থিত ছিলেন। তারা কাউন্সিলের পক্ষ থেকে প্রশাসকের কাছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।
এছাড়াও ডাইসিস, দিব্য একাডেমি, বিপ্লবী একাডেমি, বিশ্ব নাট্যাঙ্গন, টিআইবি, ইয়ুথ ফর ফিউচার, স্কাউট, ক্লিনআপ বাংলাদেশ, র্যাপিড রেসপন্স বিডি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিসহ নানা সংগঠনের যুব প্রতিনিধিরা সভায় মতামত প্রদান করেন।
সভায় যুব কাউন্সিলের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রজেক্ট ম্যানেজার লুৎফা পাঠান। সার্বিক সহযোগিতা করেন সিরাক-বাংলাদেশের নেটওয়ার্ক অফিসার মো. কামরান মিয়া এবং প্রজেক্ট অফিসার শাপলা আক্তার।

