Author
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ভোগাই ও চেল্লাখালী নদীতে তীব্র ভাঙন

রপুরের ভারতীয় সীমান্তবর্তী উপজেলা নালিতাবাড়ী। সীমান্তের ওপারেই ভারতের মেঘালয়। যেখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সবসময়ই বেশি। ফলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল নালিতাবাড়ী ভোগাই নদ বেয়ে ক্ষতি করছে বিস্তীর্ণ এলাকার। ভাঙন কবলিত হয়ে ভিটেমাটি ছাড়া হচ্ছে মানুষ। মানুষের দাবি ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার।

বর্ষা এলেই পাহাড়ি ঢলের তোড়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নদীপাড়ের মানুষ। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ভোগাই ও চেল্লাখালী নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় ভয়াবহ নদীভাঙন। নালিতাবাড়ীর হাতিপাগার, নয়াবিল, খালভাঙ্গা, কেরেঙ্গাপাড়া ও দক্ষিণ কোন্নগরসহ দীর্ঘ এলাকার আবাদি জমি, গাছপালা ও রাস্তাঘাট চলে যাচ্ছে নদীগর্ভে। একইভাবে চেল্লাখালী নদীর ভাঙনে ভিটেমাটি হারাচ্ছেন পোড়াগাঁও, নন্নী, বাঘবেড় ও কলসপাড় এলাকার শত শত পরিবার। বাধ্য হয়ে নদীপাড়ের অনেক মানুষ কেটে ফেলছেন গাছপালা, সরিয়ে নিচ্ছেন বসতঘর।

ভাঙনের এই স্থায়ী সমাধানে ব্লক আর জিওব্যাগ ফেলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী বাসিন্দারা। নদী ভাঙন রোধে বর্ষা শেষ হওয়ার আগেই আগাম কাজ শুরুর দাবি তাদের। নদী ভাঙনের কবল থে‌কে বাঁচ‌তে বসতভিটা স‌রি‌য়ে ও গাছপালা কে‌টে অন‌্যত্র নি‌য়ে যাচ্ছে নদী পা‌রের মানু‌ষেরা। তা‌দের জ‌মি রক্ষায় দ্রুত বাঁধ নির্মা‌ণের দাবি জানান তারা।

এদিকে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভাঙন কবলিত এলাকাগুলোর নদী তীররক্ষা কাজ ত্বরান্বিত করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক বলেন, নদীভাঙন কবলিত এলাকাগুলোর সার্বিক চিত্র আমরা পরিদর্শন করেছি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আগামী শুকনো মৌসুমেই স্থায়ী তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নদীভাঙন রোধে এখনই জরুরি ও স্থায়ী পদক্ষেপ না নিলে আগামী বর্ষায় আরও বিস্তৃত এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভিটেমাটি রক্ষা করে নদীর পাড়ে নিরাপদ বাসস্থানের সুযোগ করে দেওয়াই এখন নদীপাড়ের হাজারো মানুষের প্রাণের দাবি।

Facebook Comments Box
১ম লাইন রঙ
২য় লাইন রঙ
ফন্ট সাইজ (65px)

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধনকে ধ্বংসের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে চক্রান্তকারীরা: রিজভী

বাকৃবি অফিসার পরিষদের নেতৃত্বে গোলাপ-শাহাদাত

শেরপুরে আগুনে সর্বস্ব হারাল ২ পরিবার

সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেলে রোগীর ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু, নথিপত্র গায়েবের অভিযোগ

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার ‘কাচারি ঘর’

অক্টোবরে আবারও চালু হচ্ছে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন

নেত্রকোনায় সরকারি চাল জব্দের মামলায় প্রধান আসামি কারাগারে

লাখপতির অফারে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, লাপাত্তা ভুয়া এনজিও

বাকৃবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম সরদার

১০

ঈশ্বরগঞ্জে চোলাই মদ বিক্রির দায়ে যুবকের কারাদণ্ড

১১

২১ দিন ধরে একঘরে ২০ সদস্যের পরিবার ।। কেউ যোগাযোগ করলেই ১০ হাজার টাকা জরিমানা

১২

ছেলে হত্যাকারীদের বিচার চাইলেন মা, মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকি!

১৩

স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, প্রেমিককে কুপিয়ে জখম করলেন স্বামী

১৪

চাকরির প্রলোভনে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ, অন্তঃসত্ত্বা বিধবা

১৫

জর্দার কৌটায় ১০ বছরের সঞ্চয়, খুলে দেখলেন ২ লাখ টাকা পচে টুকরো টুকরো

১৬

‌‘এয়ারপোর্টে আইসো’ ছেলের শেষ ফোন, এখন মরদেহের অপেক্ষায় বাবা

১৭

ভাবিকে কুপিয়ে হত্যায় মৃত্যুদণ্ড, কারাগারেই মৃত্যু আজহারুলের

১৮

নিখোঁজের ২৫ দিন পর তরুণের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

১৯

বাকৃবি শিক্ষার্থীর উদ্যোগ ।। এক ওয়েবসাইটেই মিলবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সব তথ্য

২০
শিরোনামঃ
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রীভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধনকে ধ্বংসের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে চক্রান্তকারীরা: রিজভীবাকৃবি অফিসার পরিষদের নেতৃত্বে গোলাপ-শাহাদাতশেরপুরে আগুনে সর্বস্ব হারাল ২ পরিবারসৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেলে রোগীর ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু, নথিপত্র গায়েবের অভিযোগআধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার ‘কাচারি ঘর’অক্টোবরে আবারও চালু হচ্ছে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেননেত্রকোনায় সরকারি চাল জব্দের মামলায় প্রধান আসামি কারাগারেলাখপতির অফারে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, লাপাত্তা ভুয়া এনজিওবাকৃবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম সরদার