মুক্তাগাছা প্রতিনিধি: মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও মাছ চাষে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত কর্মসূচি মেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে মুক্তাগাছার স্বনামধন্য খান মৎস্য হ্যাচারী অ্যান্ড ফিসারীজ। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও উদ্যোক্তা কর্পোরাল লিটন খান (অব.) এই সাফল্যে সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা পেয়েছেন।

দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে মাছ চাষের পাশাপাশি মুরগি ও গরু পালনসহ সমন্বিত কৃষি কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন কর্পোরাল লিটন খান (অব.)। কৃষি ও মৎস্য খাতে তার দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একাধিকবার জাতীয় পর্যায়সহ বিভিন্ন কৃষি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

জানা যায়, মুক্তাগাছায় সর্বপ্রথম হ্যাচারি স্থাপনের উদ্যোগ নেন কর্পোরাল লিটন খান (অব.)। তার প্রতিষ্ঠিত খান মৎস্য হ্যাচারী অ্যান্ড ফিসারীজ এলাকায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক মাছ চাষের প্রসার এবং মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

তার উদ্যোগ ও সফলতার গল্প বিভিন্ন সময় দেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা, টেলিভিশন ও মিডিয়ায় প্রচারিত হয়েছে। তার মাছ চাষ, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালন এবং সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শিত হয়েছে।

মেলায় প্রথম স্থান অর্জনের বিষয়ে কর্পোরাল লিটন খান (অব.) বলেন, মৎস্যসম্পদ রক্ষা ও আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করাই তার অন্যতম লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও তিনি মৎস্য ও কৃষি খাতের উন্নয়নে কাজ করে যেতে চান।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কৃষি ও মৎস্য খাতে কাজ করে আসা কর্পোরাল লিটন খানের এই অর্জন মুক্তাগাছার জন্য গর্বের। তার সাফল্য স্থানীয় তরুণ ও কৃষি উদ্যোক্তাদের মাছ চাষ এবং সমন্বিত কৃষির দিকে আগ্রহী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্যচাষি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তানবীর আহাম্মেদ। এ সময় স্থানীয় পর্যায়ে মৎস্যচাষে বিশেষ অবদান রাখায় নির্বাচিত মৎস্যচাষিদের পুরস্কৃত করা হয়।
মন্তব্য করুন