ডেস্ক রিপোর্ট : নেত্রকোনার খালিয়াজুড়ি থানায় দায়ের করা শাহ আলমগীর (২৫) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে ময়মনসিংহে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৪।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-মামলার ১০ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি আনোয়ার (২৮) এবং ১৫ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি শাফিকুল (৩০)। তাঁদের উভয়ের বাড়ি নেত্রকোনা জেলায় বলে জানিয়েছে এসআরবি-১৪।
এসআরবি-১৪ সূত্রে জানা যায়, পূর্বশত্রুতার জেরে গত ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় খালিয়াজুড়ি থানার রানীচাপুর গ্রামে রফিক মিয়া (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ ওঠে। পরদিন ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে রানীচাপুর গ্রামের নতুন কবরস্থানের পাশে জালাল মিয়ার বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, হামলার সময় শাহ আলমগীরসহ কয়েকজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুর করে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি এবং ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারসহ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
আহত শাহ আলমগীরসহ অন্যদের প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাঁদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার দিকে শাহ আলমগীর মারা যান বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় শাহ আলমগীরের পরিবারের পক্ষে মিষ্টুর মিয়া (৩৮) বাদী হয়ে খালিয়াজুড়ি থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি ১৮ সেপ্টেম্বর দায়ের করা হয়। মামলায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারার পাশাপাশি হত্যার অভিযোগে ৩০২ ধারা সংযোজন করা হয়েছে। মামলার নম্বর ৭।
এসআরবি-১৪ জানায়, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে ময়মনসিংহ নগরের কোতোয়ালি থানার নটর ডেম কলেজ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে আনোয়ার ও শাফিকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবি-১৪ আরও জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
|
১৩ অক্টোবর, ২০২৬