মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিনভর কিশোরগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ দুটি সরকারি হাসপাতালে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যৌথ দল হাসপাতাল এলাকা থেকে প্রাথমিকভাবে ৩২ জনকে আটক করে। পরবর্তীতে বিস্তারিত তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে এই চক্রের সক্রিয় ১৭ সদস্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। তিনি জানান, সরকারি হাসপাতালগুলোকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ দালাল চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে দীর্ঘদিন ধরেই পুলিশের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল। তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের পর সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করে এই অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া এই চক্রের সদস্যরা মূলত প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের টার্গেট করত। উন্নত চিকিৎসা ও দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রলোভন দেখিয়ে রোগীদের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিত বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ সুপার হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে এবং রোগীদের হয়রানি বন্ধ করতে পুলিশের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
মন্তব্য করুন