Admin
২২ জুন ২০২৫, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

ত্রিশালে প্রতিবাদের মুখে গ্রেপ্তার ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ মিনা, পলাতক মুক্তাসহ সহযোগীরা

ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভার আলোচিত নারী মাদক কারবারি তাহমিনা বেগম মিনাকে (৪২) অবশেষে এক কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাঁর ভাই ও সহযোগী মুক্তাসহ চক্রের অন্য সদস্যরা এখনো পলাতক রয়েছেন। শনিবার (২১ জুন) সকাল ৯টার দিকে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃধাবাড়ী মোড় এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ত্রিশাল থানা-পুলিশ।

মিনার বাড়ি পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি মাহমুদুল আলম ফারুক ড্রাইভারের স্ত্রী। বিষয়টি শনিবার বেলা ২টার দিকে থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেন ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহাম্মদ।

(ত্রিশাল পৌরসভার আলোচিত মাদক কারবারি তাহমিনা বেগম মিনাকে এক কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ)

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিনা ও তাঁর চক্র দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডজুড়ে প্রকাশ্যে মাদক কারবার চালিয়ে আসছিল। এখান থেকেই মাদক ছড়িয়ে পড়ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকাসহ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

গত মঙ্গলবার (১৭ জুন) এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে রাস্তায় নামে এলাকাবাসী। কেরানীবাড়ী মোড়ে কয়েক শ নারী-পুরুষ মিনা, মুক্তা ও তাঁদের সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে। ‘চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’—এমন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকাবাসী।

জনদাবি ও গণচাপের মুখে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালায় এবং আজ সকালে মিনা গ্রেপ্তার হন। ওসি মনসুর আহাম্মদ জানান, তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, গতকাল (২০ জুন) রাতে এক অভিযানে ১২৩টি ইয়াবা, মাদক বিক্রির নগদ ৫০ হাজার ৫৬০ টাকা এবং পাঁচটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান চলমান থাকবে বলে জানান তিনি।

ওসি বলেন, ‘ত্রিশালে মাদক কারবারের কোনো স্থান নেই। আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। মিনা গ্রেপ্তার হয়েছে, বাকিদেরও শিগগির ধরা হবে।’

এদিকে এলাকাবাসী পুলিশের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তাঁরা দাবি করছেন, শুধু একজনকে গ্রেপ্তার করলেই চলবে না, পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

Facebook Comments Box
১ম লাইন রঙ
২য় লাইন রঙ
ফন্ট সাইজ (65px)

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যে ৪ ধরনের ধর্মীয় জ্ঞান শিক্ষা করা সবার জন্য ফরজ

শিক্ষা উপবৃত্তির আবেদন শুরু

প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ১ অক্টোবরে, মন্ত্রণালয়ের নতুন বিজ্ঞপ্তি

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে চাকরি, পদ ২৩

জুলাইয়ের অন্যতম শিক্ষা হলো বাংলাদেশ কখনোই আর ‘ক্লায়েন্ট স্টেট’ হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অস্ট্রেলিয়ায় প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিনে মিরাজের সেঞ্চুরি

মেসির রেকর্ড গড়া জোড়া গোলে মায়ামির দারুণ জয়

২০৩০ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ভাগ্য বদলাতে পারেন যে ১০ তরুণ

ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন ইনফান্তিনো, থাকছেন ফিফা সভাপতি হিসেবেই

নেইমারকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণার প্রস্তাব নিয়ে যা হলো

১০

নির্দিষ্ট কিছু মডেলের এসএসডির দাম বেড়েছে

১১

সমুদ্রের গভীরেও প্লাস্টিক দূষণের থাবা

১২

স্মার্টফোন কীভাবে ব্যবহারকারীর অবস্থান শনাক্ত করে

১৩

বিশ্বের প্রথম ওয়েবসাইট চালু হয়েছিল ৬ আগস্ট, কে চালু করেছিলেন

১৪

এআই এজেন্টের সংখ্যা ছাড়িয়ে যাবে বিশ্বের জনসংখ্যাকেও

১৫

বিশ্ববাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে স্বর্ণ ও রুপার দাম

১৬

তেলের দাম কমল

১৭

বাংলাদেশ ব্যাংকের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন : দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীল মুদ্রা টাকা

১৮

এক লাফে স্বর্ণের দাম বাড়ল ৯,৮৫৬ টাকা

১৯

স্বর্ণের দাম আবার ৫ হাজার ডলারের দিকে, কারণ কী?

২০
শিরোনামঃ
যে ৪ ধরনের ধর্মীয় জ্ঞান শিক্ষা করা সবার জন্য ফরজশিক্ষা উপবৃত্তির আবেদন শুরুপ্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ১ অক্টোবরে, মন্ত্রণালয়ের নতুন বিজ্ঞপ্তিমাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে চাকরি, পদ ২৩জুলাইয়ের অন্যতম শিক্ষা হলো বাংলাদেশ কখনোই আর ‘ক্লায়েন্ট স্টেট’ হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রীঅস্ট্রেলিয়ায় প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিনে মিরাজের সেঞ্চুরিমেসির রেকর্ড গড়া জোড়া গোলে মায়ামির দারুণ জয়২০৩০ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ভাগ্য বদলাতে পারেন যে ১০ তরুণভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন ইনফান্তিনো, থাকছেন ফিফা সভাপতি হিসেবেইনেইমারকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণার প্রস্তাব নিয়ে যা হলো