২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলো এ তালিকা প্রকাশ করে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বৃত্তির অর্থ দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর সদাচরণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিতি ও সন্তোষজনক পাঠোন্নতি বজায় রাখার শর্ত রয়েছে।
বৃত্তি পাওয়ার শর্ত- বৃত্তির গেজেটে শিক্ষার্থী যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে, সেই প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বৃত্তির অর্থ উত্তোলনের জন্য অধ্যক্ষ বা প্রধান শিক্ষকের প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে ভর্তিকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে বিধি অনুযায়ী অর্থ উত্তোলন করতে হবে।
উচ্চতর শ্রেণিতে অধ্যয়নের জন্য অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি না হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী বৃত্তি পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবে না। বৃত্তির সংখ্যা, হার ও মেয়াদ আপাতত নির্ধারিত থাকলেও প্রয়োজন হলে সরকার কোনো কারণ উল্লেখ না করেই তা পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে।
বৃত্তি কার্যকর হবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে। অনুমোদনহীন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে এ বৃত্তি কার্যকর হবে না। সংশ্লিষ্ট শর্তে বলা হয়েছে, অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নের সময় পাঠবিরতি বা ‘ব্রেক অব স্টাডি’ হিসেবে গণ্য হবে।
শর্ত অনুযায়ী, বৃত্তিপ্রাপ্ত সব শিক্ষার্থী বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ পাবে। সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মাসিক বেতন দাবি করতে পারবে না। এ ধরনের বেতন দাবি করা হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।
প্রকাশিত শর্ত অনুযায়ী, মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থী মাসে ৬০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থী মাসে ৩৫০ টাকা করে পাবে।
এ ছাড়া বইপত্র ও যন্ত্রপাতি কেনার জন্য মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বছরে এককালীন ৯০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বছরে এককালীন ৪৫০ টাকা অনুদান পাবে।
বৃত্তির অর্থ ও অন্যান্য সুবিধা সংশ্লিষ্ট বিধি এবং প্রকাশিত শর্ত অনুসারে কার্যকর হবে।
মন্তব্য করুন