
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন এমপি বলেছেন, বিএনপি সরকার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যালঘু হিসেবে নয়, বরং দেশের অন্যান্য নাগরিকের মতো সমান অধিকারসম্পন্ন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করে।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাঁদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধার খোঁজখবর নেন।
গৌরীপুর দুর্গাবাড়ি পূজামণ্ডপে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশে এবার বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নির্বিঘ্নে শারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তাসহ সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। বিএনপি সরকার হিন্দুদের সংখ্যালঘু নয়, দেশের অন্য নাগরিকদের মতোই মনে করে।’
গৌরীপুর পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি কমল সরকারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফিয়া আমীন পাপ্পা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৌরীপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক এ বি এম কাউসার জামান, গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. হাবিবুল ইসলাম খান শহীদ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব আব্দুর রহমান বাবুল, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো. আলী আকবর আনিছ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব মো. রমজান হোসেন খান জুয়েল, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি তানজীন চৌধুরী লিলি, উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি মো. মাহফুজুর রহমান মাহফুজ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন পাপ্পুসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা।
গৌরীপুর পূজা উদ্যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক অমল চন্দ্র দাস জানান, এ বছর উপজেলায় ৬০টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে পৌরসভায় ১৯টি, মইলাকান্দা ইউনিয়নে ৮টি, গৌরীপুর সদর ইউনিয়নে ৫টি, অচিন্তপুরে ৪টি, মাওহায় ৩টি, সহনাটিতে ১টি, বোকাইনগরে ৪টি, রামগোপালপুরে ৩টি, ডৌহাখলায় ১০টি, ভাংনামারীতে ১টি এবং সিধলা ইউনিয়নে ২টি মণ্ডপ রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
মন্তব্য করুন