ধোবাউড়া প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় আবাসিক এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই স-মিল (করাতকল) স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শব্দ ও কাঠের গুঁড়ার কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ধোবাউড়া সরকারী আদর্শ কলেজ রোড এলাকার আবাসিক এলাকায় রায়কুল ইসলামসহ কয়েকজন স-মিল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, আবাসিক এলাকার পাশাপাশি আশপাশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় সেখানে স-মিল চালু হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটবে। এছাড়া করাতকলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি ও কাঠের গুঁড়ার কারণে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।ইতোমধ্যে উল্লেখিত জায়গার পাশেই স মিল রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, স্থানীয় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে একাধিকবার স-মিল স্থাপনের কাজ বন্ধ করার অনুরোধ করা হলেও তা আমলে না নিয়ে কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
অভিযোগকারীরা পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে আবাসিক এলাকায় স-মিল স্থাপন বন্ধ এবং বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। ইতোমধ্যে অভিযোগের প্রেক্ষিতে বনবিভাগের কর্মকর্তাগণ পরিদর্শণ করেছেন। এ ব্যাপারে রাইকুল ইসলাম বলেন, স মিল করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম কিন্তু আপাতত বন্ধ।
মন্তব্য করুন