মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. শামছুদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হৃদয় মিয়া আকুয়া জুবলি কোয়ার্টার এলাকার জয়নাল মিয়ার ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে আকুয়া জুবলি কোয়ার্টারে সাথীর ভাড়া বাসায় হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। রাত আনুমানিক ২টা থেকে ৫টার মধ্যে হৃদয় ওই বাসার দরজায় টোকা দেন। সাথী দরজা খোলার পর তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় সাথীর ছোট বোন মোছা. শিউলি আক্তার বাদী হয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় দুজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি মডেল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান জানান, হত্যার পর ২৪ সেপ্টেম্বর হৃদয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। ২৫ সেপ্টেম্বর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন হৃদয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের আগে মোবাইল ফোনে সাথীকে উত্ত্যক্ত করা নিয়ে হৃদয়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। এ নিয়ে ঘটনার আগের দিন থানায় লিখিত অভিযোগও করেছিলেন সাথী। এর জেরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।
তবে রায়ে সন্তুষ্ট নন আসামিপক্ষের স্বজনেরা। হৃদয়ের মামা বাবুল মিয়া বলেন, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন তারা।
অন্যদিকে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত সাথীর বোন ও মামলার বাদী মোছা. শিউলি আক্তার। তিনি দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন