নরুন্দি তদন্ত কেন্দ্রে ইনচার্জ মো. নাজমুল হক জানান, রোববার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার নরুন্দি ইউনিয়নের মিরাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি পিকআপে করে ১৬টি বস্তায় ৯শ কেজি ঘোড়ার মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার সময় আটক করা হয়। এ সময় ঘোড়ার মাংস বিক্রেতা, ক্রেতা ও পরিবহনের অভিযোগে ৫ জনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- ঘোড়ার মাংস বিক্রেতা পারর্শবর্তী টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার শোলাকুড়ি উত্তরপাড়া এলাকার মকবুল হোসেনের ছেলে মো. হুমায়ুন (৪০), মাংসের ক্রেতা টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার চরদুবারকান্দি এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আলফাজ (৪২) ও একই এলাকার মো. নুরুল ইসলামের ছেলে মো. শহিদ (৩৫), পিকআপের চালক জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার সাইঞ্চারচর এলাকার রমজান আলীর ছেলে মো. জুয়েল (২৬) এবং হেলপার শরিয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার আমির হোসেনের ছেলে মো. তাসির মিয়া (২৫)। এই চক্রটি ঘোড়ার মাংস জামালপুরসহ বিভিন্ন জেলায় হোটেল-রেস্তোরাঁতে বিক্রি করত।
নরুন্দি তদন্ত কেন্দ্রে ইনচার্জ মো. নাজমুল হক আরও জানান, আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের দণ্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমান হোসেন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঘোড়ার মাংস বিক্রেতা ও দুই ক্রেতাকে ৬ মাস এবং পিকআপের চালক ও হেলপারকে ২ মাসের কারাদণ্ডসহ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়াও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতে জব্দকৃত ঘোড়ার মাংস মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়।
মন্তব্য করুন